News » একুশে বইমেলা ২০১০ এর সদস্য সচিবের প্রতিবেদন Viewed 135 time(s)

আস-আদ মোস্তাফা
01 March, 2010. 12:38 PM

সমাপনী অনুষ্ঠানের সর্বজন শ্রদ্ধেয় সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, প্রধান অতিথি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মূহায়মেন, স্টেপ মিডিয়া লিমিটেড-এর পরিচালক মোস্তফা জাহিদ খান, বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান এবং সমবেত সুধী জন...

প্রথমেই ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যাঁরা প্রাণ দিয়ে ভাষার মর্যাদা, বাঙালি জাতি গঠন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বীজ বুনে গেছেন তাঁদের স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

অমর একুশে ২০১০ উপলক্ষে বাংলা একাডেমী আয়োজিত গ্রন্থমেলা এবং অনুষ্ঠানমালা আজ শেষ হতে যাচ্ছে। মাসব্যাপী লেখক-পাঠক-ক্রেতা-প্রকাশক সর্বসাধারণের পদচারণায় মুখরিত ছিল বাংলা একাডেমীর এই মেলা প্রাঙ্গণ।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে যে সাংস্কৃতিক জাগরণের সূচনা হয়, তার প্রাথমিক অভিব্যক্তি অমর একুশে গ্রন্থমেলা। এই গ্রন্থমেলা কেবলমাত্র পুস্তক মেলা নয়, এটি এখন এক মিলনমেলা। বাঙালির সর্বজনীন উৎসব এই গ্রন্থমেলা এ দেশের সাংস্কৃতিক জাগরণকে ক্রমাগত সংহত ও শাণিত করে তুল্‌ছে। সংস্কৃতির বিকাশের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গ্রন্থমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই মেলাকে কেন্দ্র করে আমাদের সৃজনশীল প্রকাশনা জগতে গড়ে উঠছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি গড়ে উঠছে বিশাল পাঠক সমাজ। সাহিত্য ও সৃজনশীল চিন্তা-চেতনার যারা নিরন্তর সাধক, তাদের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। গ্রন্থমেলাকে উপলক্ষ করে কেবল দেশের নানাপ্রান্ত থেকে নয়, দেশের বাইরে থেকেও বাংলা ভাষাভাষী বইপ্রেমী মানুষেরা এই মেলায় আসেন।

বইয়ের মেলা এদেশে প্রথম আয়োজিত হয় বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে ১৯৭২ সালে। ঐ বছর থেকে একুশ উপলক্ষে বাংলা একাডেমী নিজস্ব প্রকাশনা হ্রাসকৃত মূল্যে বিক্রি করে। ১৯৭০ সালে অমর একুশে উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমীর সাথে ‘মুক্তধারা’ একাডেমীর মূল গেটের সামনে বই বিক্রি শুরু করে। ১৯৮৪ সালে এসে গ্রন্থমেলার জন্য একটি নীতিমালা ও নিয়মাবলি প্রণীত হয় এবং গ্রন্থমেলার নামকরণ করা হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’।

গত পহেলা ফেব্রুয়ারি বিকেল তিনটায় মাসব্যাপী অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০-এর শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি একাডেমীর বর্ধমান হাউসে প্রতিষ্ঠিত ভাষা-আন্দোলন জাদুঘরও উদ্বোধন করেন।

বাংলা একাডেমী বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহযোগিতায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০-এর আয়োজন করে। এবারের গ্রন্থমেলায় ৫২২টি ইউনিটে ৩৭০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে বাণিজ্যিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ২৫০টি, সরকারি প্রতিষ্ঠান ১৪টি, এন.জি.ও ২৮টি, গণমাধ্যম ২১টি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ৫২টি এবং ডিজিটাল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫টি। এছাড়া লিটল ম্যাগ চত্বরে ২৬টি প্রতিষ্ঠানকে তাদের প্রকাশনা প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। ছোট ছোট প্রকাশনা সংস্থা এবং ব্যক্তি উদ্যোগে যেসব লেখক বই প্রকাশ করেছেন তাঁদের বই বিক্রির সুযোগ করে দেওয়া হয় জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের স্টলে।

গ্রন্থমেলায় সকল মানুষ যাতে নিরাপদে আসতে পারেন সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করা হয়। গ্রন্থমেলায় এবার ২টি প্রবেশ পথে ২টি করে ৪টি আর্চওয়ে বসানো হয়। বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার পাশাপাশি বাংলা একাডেমীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে গঠিত কমিটির সদস্যরাও নিরাপত্তাসহ মেলা পর্যবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত থাকেন। এবার গ্রন্থমেলা চত্বরকে নতুনভাবে- ভাষা-শহীদ চত্বর, রবীন্দ্র চত্বর, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ চত্বর, নজরুল চত্বর, সাহিত্যবিশারদ চত্বর, সুফিয়া কামাল চত্বর, ধীরেন্দ্রনাথ চত্বর, সোমেন চন্দ চত্বর ও রোকেয়া চত্বরে বিন্যস্ত করা হয়।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার গ্রন্থমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি সমপ্রচার করে। চ্যানেল আই বইমেলা প্রতিদিন শীর্ষক অনুষ্ঠান এবং রেডিও ফূর্তি, রেডিও টুডে ও চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনাল (সিআরআই) মেলার খবরাখবর প্রতিদিন সরাসরি সমপ্রচার করে। এছাড়াও বিএসবি ও আনন্দ আলো ‘বইমেলা প্রতিদিন’ নামে দুটি বুলেটিন প্রকাশের মাধ্যমে গ্রন্থমেলার খবর আগত ক্রেতা-দর্শকদের হাতে তুলে দেয়।

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে (www.banglaacademy.org.bd, www.boiwala.com, www.bdnews24.com, www.swapnershiri.com, www.ekusherboimela.com, www.ekusherboi.com) প্রতিদিন গ্রন্থমেলার বিভিন্ন তথ্য প্রচার করা হয়। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের মেলার সংবাদ সহজে আদান-প্রদানের জন্য মেলা প্রাঙ্গণে ইন্টারনেট ও ফ্যাক্স সুবিধাসহ মিডিয়া সেন্টার স্থাপন করা হয়। বাংলালায়ন কমিউনিকেশনস লিমিটেড-এর সহায়তায় ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এবারের গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণকে ওয়াইফাই জোনে রূপান্তরিত করা হয়। ফলে মেলায় আগত কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মেলা প্রাঙ্গণে বসানো কিয়ক্সের মাধ্যমে এবং ল্যাপটপে ফ্রি ব্রাউজিংয়ের সুবিধা পান। নতুন নতুন বইয়ের খবর এবং বইয়ের মোড়ক উন্মোচনসহ মেলা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের জন্য প্রতিবারের মতো তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। প্রতিদিন নজরুল মঞ্চে নতুন নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন দেশের খ্যাতিমান লেখক, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীসহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ। গ্রামীণ ঐতিহ্যের আদলে বয়রা তলায়  লেখক-শিল্পীদের আড্ডার জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়।

গ্রন্থমেলায় এবার ২৫ ভাগ কমিশনে বই বিক্রি হয়। বাংলা একাডেমী যথারীতি ৩০ ভাগ কমিশনে বই বিক্রি করে। মেলায় গতকাল পর্যন্ত নতুন বই এসেছে ৩২৬০টি। ২৭শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলা একাডেমীর বই বিক্রি ৬৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯ শত ৬ টাকা। এবারের মেলায় গতকাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমীসহ বই বিক্রি প্রায় ২০ কোটি টাকা।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০-এ অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের স্টল-অঙ্গসজ্জার জন্য সেরা তিনটি স্টলকে ‘সরদার জয়েনউদ্‌দীন স্মৃতি পুরস্কার’, সেরা গ্রন্থের জন্য প্রকাশককে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’, সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ ক্রয়কারীকে ‘পলান সরকার পুরস্কার’ এবং ‘বইমেলা প্রতিদিন’ বুলেটিন প্রকাশের জন্য আনন্দ আলো-কে ‘মোহাম্মদ নূরুল হক গ্রন্থ সুহৃদ’ পুরস্কার প্রদানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গ্রন্থমেলায় স্বাচ্ছন্দে ঘুরেফিরে পছন্দমতো বই কেনার সুবিধার্থে ১৯শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১০:৩০টা থেকে বেলা ১:০০টা পর্যন্ত মহিলা ও শিশুদের জন্য জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকে। এ সময় মহিলা ও শিশুদের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। সকল শ্রেণীর লেখক-পাঠক-ক্রেতা-দর্শনার্থীসহ পুরো মাসে অর্ধকোটিরও বেশি বইপ্রেমী মানুষ গ্রন্থমেলায় আসেন। দর্শনার্থীরা মেলায় প্রবেশের ক্ষেত্রে যে শৃংখলা দেখিয়েছেন তা ভবিষ্যতে গ্রন্থমেলা আয়োজনে আমাদেরকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০ উপলক্ষে আলোচনা সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘ ভাষা আন্দোলন-এর ইতিহাস কথা : ১৯৪৭-১৯৫৩’। এই থিমকে সামনে রেখে মাসব্যাপী গ্রন্থমেলায় প্রতিদিন বিকেলে এই মঞ্চে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিকেন্দ্রিকরণের পথে’, ‘ভাষা-আন্দোলনের তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট’, ‘ভাষা-আন্দোলন : গণপরিষদ বিতর্ক’, ‘ভাষা-শহীদ আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, শফিউর রহমান ও আব্দুস সালাম’, ‘ভাষা-সংগ্রামী হাসান হাফিজুর রহমান’, ‘ভাষা-আন্দোলনে পত্র-পত্রিকার ভূমিকা’, ‘বাঙালি জাতিসত্তা ও বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ভাষা-আন্দোলনের ভূমিকা’, ‘একুশের প্রবন্ধ, কবিতা ও গান’, ‘বাংলাদেশের ভাষা পরিস্থিতি’, ‘আগামীর বাংলা একাডেমী’, ‘বাংলা সাহিত্যের অনুবাদ : চীনা ভাষায়’ ইত্যাদি বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল অমর একুশে বক্তৃতানুষ্ঠান। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় পরিবেশিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিবছরের মতো এবারেও আয়োজন করা হয় শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার।

বাংলা একাডেমীর এই গ্রন্থমেলা এখন শুধুমাত্র বইয়ের মেলা নয়, এটি গ্রন্থোৎসবে রূপান্তরিত হয়েছে। এই গ্রন্থোৎসবের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ করে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মীবৃন্দ যাঁরা প্রতিদিন গ্রন্থমেলার খবরাখবর সারাদেশসহ বহির্বিশ্বে তুলে ধরে বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ তৈরি ও ক্রেতা-পাঠক সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তাঁদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ডেসা, ওয়াসা, গণপূর্ত ও বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার ব্রিগেড, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, মেট্রোপলিটন পুলিশ, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠান অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০ আয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করে। এদেরকে জানাই কৃতজ্ঞতা।

ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড-এর আর্থিক সহায়তায় অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০-এর অবকাঠামো নির্মাণ এবং সাজসজ্জার যাবতীয় কাজ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী স্টেপ মিডিয়া লিমিটেড সম্পন্ন করে। এ দু’টি প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

অমর একুশে গ্রন্থমেলাকে সুন্দর ও সার্থকভাবে সম্পন্ন করার কাজে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন, সংস্কৃতি সচিব জনাব হেদায়েত উল্লাহ আল মামুন, বাংলা একাডেমীর সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, একাডেমীর কার্যনির্বাহী পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, একাডেমীর সম্মানিত ফেলো, জীবন সদস্য ও সদস্যবৃন্দ, একাডেমীর সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ, গ্রন্থমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ, সর্বোপরি সুশীল সমাজের নেতৃবর্গসহ অন্যান্য যাঁরা সহযোগিতা প্রদান করেছেন তাঁদের সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাই। ঝকঝকে অক্ষরে মুদ্রিত, সুন্দর মোড়কে বাঁধাইকৃত বইগুলো নেপথ্যে থেকে ক্রেতা-পাঠক-বইপ্রেমী মানুষের হাতে তুলে দিতে যাঁরা রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন প্রেসের সেইসব কর্মীদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই।

সর্বোপরি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতার ফলে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০-এর মাসব্যাপী এই আয়োজন সাফল্যমণ্ডিত করা সম্ভব হয়েছে। এদেশের মানুষের সংস্কৃতি-চেতনা, ঐতিহ্যবোধের গভীরতা আামদেরকে ক্রমাগত আশাবাদী করে তোলে। সকলকে বাংলা একাডেমীর পক্ষ থেকে জানাই আবারও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আগামীতেও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতার হাত প্রসারিত থাকবে - এই প্রত্যাশা করি।