News » বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানবিষয়ক পাঠ্য গ্রন্থ প্রণয়ন শীর্ষক কর্মশালা Viewed 58 time(s)
আস-আদ মোস্তাফা
29 June, 2010. 08:15 AM
বাংলা একাডেমী গতকাল ১৪ই আষাঢ় ১৪১৭/২৮শে জুন ২০১০ সোমবার একাডেমীর সেমিনার কক্ষে ‘উচ্চ শিক্ষাস্তরে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানবিষয়ক পাঠ্য ও পাঠ্যসহায়ক গ্রন্থ প্রণয়ন : সমস্যা ও উত্তরণ’ শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করে। সকাল ৯:৩০টায় উপস্থিত অতিথিদের নিবন্ধের মাধ্যমে কর্মশালার কার্যক্রম শুরু হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ. এম. হারুন অর রশীদ। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. অজয় রায়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমীর পাঠ্যপুস-ক বিভাগের পরিচালক ড. আবদুল ওয়াহাব। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত সচিব অপরেশ কুমার ব্যানার্জী, পরিচালক আব্দুল হাই, শাহিদা খাতুন ও জাহিদুর রহমান এবং উপপরিচালক মুর্শিদুদ্দিন আহম্মদ।
কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসান এবং সাবেক অধ্যাপক ড. ম. আখতারুজ্জামান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস, ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. স. ম. উবাইদ উল্লাহ, গার্হস'্য অর্থনীতি মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ দরিয়া নূর বেগম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসান আশরাফউজ্জামান, সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. হাফিজ উদ্দীন আহমদ, দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজের মৃত্তিকা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মোঃ সদরুল আমিন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূইয়া, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. আয়েন উদ্দিন বিশ্বাস, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, বাংলাদেশ পাট ইনস্টিটিউটের সাবেক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সামসুদ্দিন আহমেদ, বাংলা একাডেমীর সাবেক পরিচালক জনাব সুব্রত বিকাশ বড়-য়া, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস-বারডেমের পরিচালক ডা. শুভাগত চৌধুরী, কারিতাস বাংলাদেশ এর সাবেক মৎস্য উপদেষ্টা জনাব বিষ্ণু দাস প্রমুখ।
স্বাগত ভাষণে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, পাঠ্যপুস্তক কোনো জাতির জন্য অত্যন্ত- গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সে কারণেই ঔপনিবেশিক আমলেও এই বিষয়টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছিল। ১৮১৭ সালে কলকাতায় স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার সূচনা ঘটে। তিনি বলেন, বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই আজকের এই কর্মশালার আয়োজন।
ড. আবদুল ওয়াহাব বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের গৃহিত কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিজ্ঞানের নতুন নতুন তথ্য ও তত্ত্ব সম্বলিত আধুনিক ও মানসম্মত গ্রন' প্রণয়ন ও প্রকাশের গুরুত্ব অপরিসীম। দীর্ঘদিন ধরে বাংলা একাডেমীর পাঠ্যপুস-ক বিভাগ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠ্যসূচির অনুসরণে পাঠ্য ও পাঠ্যসহায়ক গ্রন' প্রকাশ করে শিক্ষার উচ্চস-রে বাংলা ভাষায় গ্রনে'র চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করে আসছে।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষাস-রে চলমান শিক্ষা পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বাংলা পড়তে এবং পড়াতে অনিহা। এই মানসিকতা পরিহার করতে হবে। কোনো বিষয় হৃদয়ঙ্গম করতে মাতৃভাষা ব্যবহারের বিকল্প নেই। মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা করা সম্ভব না হলে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা সম্ভব নয়। পাশাপাশি বাংলা ভাষায় মৌলিক কোনো গ্রন' না থাকায় শুধুমাত্র অনুবাদধর্মী গ্রনে'র উপর আমাদের নির্ভর করতে হয় এবং রেফারেন্স বই হিসেবে ইংরেজি বইকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। যা উচ্চ শিক্ষাস-রে বিজ্ঞানচর্চার প্রধান অন-রায়।
উচ্চ শিক্ষাস-রে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যা সমাধানকল্পে আলোচকবৃন্দ কিছু সুপারিশ প্রদান করেন- বাংলা ভাষা ব্যবহারে সরকারি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন; বাংলা ভাষায় মৌলিক গ্রন' রচনা ও তার অনুবাদ; প্রকাশিত গ্রনে'র পুনঃসংস্করণ; রেফারেন্স বই হিসেবে বাংলা বইয়ের ব্যবহার; লেখকদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা; যেসব ক্ষেত্রে ইংরেজি কারিকুলাম বাধ্যতামূলক সেক্ষেত্রে কমপক্ষে শতকরা দশভাগ বাংলা ব্যবহার নিশ্চিত করা; বিজ্ঞান-লেখক সম্মেলন আয়োজন; বিজ্ঞানবিষয়ক শব্দের পরিভাষা প্রণয়ন ইত্যাদি।
প্রধান অতিথির ভাষণে ড. এ. এম. হারুন অর রশীদ বলেন, বাংলা একাডেমীকে বিজ্ঞান বিষয়ের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। ভালোমানের বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন' প্রণয়ন করে পাঠকের হাতে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বও একাডেমীকেই নিতে হবে। পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক তরুণ লেখক তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভাপতির ভাষণে ড. অজয় রায় বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ে তোলার লক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞানমেলার আয়োজন করা জরুরি। বিজ্ঞানভীতি দূর করতে এ বিষয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুসি-কা রচনা করা যেতে পারে। যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু ইংরেজি ভাষায় শিক্ষা দান করা হয় তবে তা হবে আমাদের শিক্ষানীতির পরিপন্থী। উচ্চ শিক্ষাস-রে বাংলা ভাষায় শিক্ষা দান করতে হবে। আর এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীকেই।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এ. এম. হারুন অর রশীদ। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. অজয় রায়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমীর পাঠ্যপুস-ক বিভাগের পরিচালক ড. আবদুল ওয়াহাব। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত সচিব অপরেশ কুমার ব্যানার্জী, পরিচালক আব্দুল হাই, শাহিদা খাতুন ও জাহিদুর রহমান এবং উপপরিচালক মুর্শিদুদ্দিন আহম্মদ।
কর্মশালায় মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হাসান এবং সাবেক অধ্যাপক ড. ম. আখতারুজ্জামান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ আবদুল কুদ্দুস, ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. স. ম. উবাইদ উল্লাহ, গার্হস'্য অর্থনীতি মহাবিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ দরিয়া নূর বেগম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসান আশরাফউজ্জামান, সিরাজগঞ্জের খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. হাফিজ উদ্দীন আহমদ, দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ কৃষি কলেজের মৃত্তিকা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মোঃ সদরুল আমিন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূইয়া, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. আয়েন উদ্দিন বিশ্বাস, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, বাংলাদেশ পাট ইনস্টিটিউটের সাবেক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সামসুদ্দিন আহমেদ, বাংলা একাডেমীর সাবেক পরিচালক জনাব সুব্রত বিকাশ বড়-য়া, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস-বারডেমের পরিচালক ডা. শুভাগত চৌধুরী, কারিতাস বাংলাদেশ এর সাবেক মৎস্য উপদেষ্টা জনাব বিষ্ণু দাস প্রমুখ।
স্বাগত ভাষণে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলেন, পাঠ্যপুস্তক কোনো জাতির জন্য অত্যন্ত- গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সে কারণেই ঔপনিবেশিক আমলেও এই বিষয়টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছিল। ১৮১৭ সালে কলকাতায় স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার সূচনা ঘটে। তিনি বলেন, বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে মাতৃভাষাকে সমৃদ্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই আজকের এই কর্মশালার আয়োজন।
ড. আবদুল ওয়াহাব বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের গৃহিত কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিজ্ঞানের নতুন নতুন তথ্য ও তত্ত্ব সম্বলিত আধুনিক ও মানসম্মত গ্রন' প্রণয়ন ও প্রকাশের গুরুত্ব অপরিসীম। দীর্ঘদিন ধরে বাংলা একাডেমীর পাঠ্যপুস-ক বিভাগ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠ্যসূচির অনুসরণে পাঠ্য ও পাঠ্যসহায়ক গ্রন' প্রকাশ করে শিক্ষার উচ্চস-রে বাংলা ভাষায় গ্রনে'র চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করে আসছে।
মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষাস-রে চলমান শিক্ষা পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বাংলা পড়তে এবং পড়াতে অনিহা। এই মানসিকতা পরিহার করতে হবে। কোনো বিষয় হৃদয়ঙ্গম করতে মাতৃভাষা ব্যবহারের বিকল্প নেই। মাতৃভাষায় বিজ্ঞান চর্চা করা সম্ভব না হলে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকা সম্ভব নয়। পাশাপাশি বাংলা ভাষায় মৌলিক কোনো গ্রন' না থাকায় শুধুমাত্র অনুবাদধর্মী গ্রনে'র উপর আমাদের নির্ভর করতে হয় এবং রেফারেন্স বই হিসেবে ইংরেজি বইকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। যা উচ্চ শিক্ষাস-রে বিজ্ঞানচর্চার প্রধান অন-রায়।
উচ্চ শিক্ষাস-রে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যা সমাধানকল্পে আলোচকবৃন্দ কিছু সুপারিশ প্রদান করেন- বাংলা ভাষা ব্যবহারে সরকারি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন; বাংলা ভাষায় মৌলিক গ্রন' রচনা ও তার অনুবাদ; প্রকাশিত গ্রনে'র পুনঃসংস্করণ; রেফারেন্স বই হিসেবে বাংলা বইয়ের ব্যবহার; লেখকদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা; যেসব ক্ষেত্রে ইংরেজি কারিকুলাম বাধ্যতামূলক সেক্ষেত্রে কমপক্ষে শতকরা দশভাগ বাংলা ব্যবহার নিশ্চিত করা; বিজ্ঞান-লেখক সম্মেলন আয়োজন; বিজ্ঞানবিষয়ক শব্দের পরিভাষা প্রণয়ন ইত্যাদি।
প্রধান অতিথির ভাষণে ড. এ. এম. হারুন অর রশীদ বলেন, বাংলা একাডেমীকে বিজ্ঞান বিষয়ের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। ভালোমানের বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন' প্রণয়ন করে পাঠকের হাতে পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বও একাডেমীকেই নিতে হবে। পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক তরুণ লেখক তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভাপতির ভাষণে ড. অজয় রায় বলেন, বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ে তোলার লক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞানমেলার আয়োজন করা জরুরি। বিজ্ঞানভীতি দূর করতে এ বিষয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুসি-কা রচনা করা যেতে পারে। যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু ইংরেজি ভাষায় শিক্ষা দান করা হয় তবে তা হবে আমাদের শিক্ষানীতির পরিপন্থী। উচ্চ শিক্ষাস-রে বাংলা ভাষায় শিক্ষা দান করতে হবে। আর এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীকেই।